ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত এই প্রার্থীদের মধ্যে ছয়জন জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের পর এনসিপি একটি সাধারণ সভার মাধ্যমে সার্বিক ফলাফল, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে পর্যালোচনা করেছে।
গতকাল শুক্রবার ধানমন্ডির একটি রেস্তোরাঁয় সকাল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত বিরতিসহ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা নির্বাচন–পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনজন এনসিপির নেতার সঙ্গে প্রথম আলো কথা বলে জানায়, “আমাদের ৩০ প্রার্থী অনেক কম সময় পেয়েছিলেন। তবু তারা নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে নিজেদের সেরাটা দিয়েছেন। এবারই প্রথমবারের মতো সরাসরি নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা হলো আমাদের।”
সভায় নির্বাচিত ছয়জন সংসদ সদস্যকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া সব প্রার্থীকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
নেতারা জানান, পর্যালোচনায় দেখা গেছে, তৃণমূলে দলের সংগঠন যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। ফলে প্রার্থীদের অনেক ক্ষেত্রেই জামায়াতের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়েছে। আসন্ন স্থানীয় সরকার ও ভবিষ্যতের সংসদ নির্বাচনে স্বনির্ভরতার ওপর জোর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সভায় আলোচিত হয়।
এনসিপি এখন তৃণমূলে সংগঠন বিস্তার ও শক্তিশালী করতে মনোযোগী হবে। সভায় প্রাথমিকভাবে এ বিষয়ে কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হয়।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন প্রথম আলোকে বলেন, “নির্বাচনী ব্যস্ততার পর সাধারণ সভায় দলের অনেকের সরাসরি সাক্ষাৎ হলো। মূলত নির্বাচন–পরবর্তী পর্যালোচনা ও আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে কিছু আলোচনা হয়েছে।”
মন্তব্য করুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য (0)